Header Ads

আমিষ আহার অসুখের জন্মদাতা।

 আমিষ আহার অসুখের জন্মদাতা৷। 


আমিষ খাদ্য কত প্রাণঘাতী এবং কত অসাধ্য রোগকে আমন্ত্রণ করে -এই বিষয়ে বড়ো বড়ো ডাক্তার এবং বৈজ্ঞানিকেরা যে প্রবন্ধ লিখেছেন, তা একবার দেখা উচিত।


(1) State University of New York, Buffalo তে করা গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যে, আমেরিকাতে মাতা-পিতা মাংসাহারী হওয়ায় ৪৭০০০ হাজারের বেশি শিশু প্রতি বছর কোনও না কোনও অসুখ নিয়ে জন্মায় এবং বড় হলেও সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হয় না।


(২) 1885 এ নোবেল বিজয়ী আমেরিকান ডাক্তার মাইকেল. এস. ব্রাউন এবং ডাক্তার জোসেফ.এস.গোল্ডষ্টীন প্রমাণ করেছেন যে, হৃদরোগ থেকে বাঁচার জন্য কোলেষ্টেরোলের বৃদ্ধি রোধ করা অতি আবশ্যক, এটি বনস্পতিতে না থাকারই মত। ডিমে এটি সর্বাধিক পরিমাণে থাকে এবং মাংস ও পশু থেকে প্রাপ্ত খাদ্যেও এটি অধিক মাত্রায় থাকে।


যে ব্যক্তি মাংস বা ডিম খায় তার শরীরে 'রেস্পটরের' সংখ্যা কম হয়ে যায় যাতে রক্তে কোলেষ্টরেলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাতে হৃদ্‌রোগ, কিডনীর অসুখ এবং গলব্লাডারে স্টোন ইত্যাদি রোগের উপসর্গ দেখা দেয়।


বিট্রেনের ডাক্তার এম. রক এক গবেষণার পর জানিয়েছেন যে 'শাকাহারীদের মধ্যে সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী অসুখ মাংসাহারীদের থেকে কম হয়। তারা মাংসাহারীদের থেকে বেশি সুস্থ, শ্রীযুক্ত চেহারাসম্পন্ন, শান্ত প্রকৃতি এবং চিন্তাশীল হয়।'

বি.বি.সির টেলিভিশান বিভাগ প্রচারিত শাকাহারের এক সাপ্তাহিক কার্যক্রমে নিয়মিতভাবে মাংসাহারীদের স্পষ্ট সতর্ক করা হয় যে,  আহার নিরামিষ না আমিষ ? সিদ্ধান্ত নিজেই নিন আপনি প্রাণঘাতী রোগের সম্মুখীন হতে পারেন।"


পশ্চিমী দেশে যেখানে মাংসাহার অত্যধিক প্রচলিত, সেখানে হার্ট এ্যাটাক, ক্যান্সার, ব্লাড প্রেশার, মেদবৃদ্ধি, কিডনীর অসুখ, কোষ্ঠ-কাঠিন্য, সংক্রামক ব্যাধি, লিভারের উপসর্গ, স্টোন ইত্যাদি প্রাণঘাতী অসুখ বেশি হয়। অথচ ভারত, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা আদি দেশে যেখানে মাংসাহারের প্রচলন কিছুটা কম, সেখানে এই সকল তত বেশি পরিমাণে হয় না।

(১)হুজা নামক জনবসতীর ৯০ থেকে ১১০ সাল পর্যন্ত বয়সের লোকেদের অধ্যয়ন করার পর জানা যায় যে তাদের এতো বেশি বয়স এবং সুস্থ থাকার কারণ হল নিরামিষাশী হওয়া।


গোয়ালিয়রের দুই গবেষক ডা. জসরাজ সিংহ এবং শ্রী. সী. কে. ডবাস গোয়ালিয়র জেলের ৪০০ বন্দীর ওপর গবেষণা করে জানিয়েছেন যে, ২৫০ আমিষাশীদের মধ্যে ৮৫ % খিটখিটে ও ঝগড়াটি স্বভাবের এবং অবশিষ্ট ১৫০ নিরামিষাশী বন্দীর মধ্যে ৯০% শান্ত ও মিষ্ট স্বভাববিশিষ্ট।


(২)আমেরিকার বিশেষজ্ঞ ডা. উইলিয়ম. সী. রবার্টস বলেছেন যে আমেরিকাতে মাংসাহারী লোকেদের মধ্যে হৃদ্‌রোগীর সংখ্যা অধিক, সেই তুলনায় নিরামিষাশীদের মধ্যে হৃদ্‌রোগীর সংখ্যা কম।


আমেরিকান ডাক্তারদের আরও বক্তব্য হল যে আমিষ খাদ্যের তুলনায় নিরামিষ খাদ্যে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশি থাকে। আমিষাশীদের প্রায়শঃই কোষ্ঠ-কাঠিন্য দেখা যায়, যাতে বহু রোগ স্বতঃই আক্রমণ করে।


(৩) অন্য আরেকটি রিপোর্ট অনুসারে একপ্রকার কীট যাকে Brain Bug বলা হয়, সেটি কামড়ালে পশু পাগল হয়ে যায়। কিন্তু এই রোগ পূর্ণভাবে প্রকাশ পেতে ১০ বছর সময় নিয়ে থাকে। এর মধ্যে যদি কেউ এই পশুর মাংস খায় তবে সেই পশুর গুপ্ত রোগ মাংসাহারীর শরীরে প্রবেশ করে।


সকলেই জানেন যে হত্যা করার আগে পশু-পক্ষী বা মৎস্য ইত্যাদির কোনও প্রকারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না এবং তাদের দেহের অসুখের কথাও জানা যায় না। ডিম, পশু, পক্ষী, মৎস্যাদিও ক্যান্সার, টিউমার ইত্যাদি রোগগ্রস্ত হয় এবং তাদের মাংস খেলে মানুষেরও সেই রোগ হওয়ার আশংকা থাকে।


(>) শুধু আমেরিকাতেই 40000 এর বেশি কেস প্রতিবছর পাওয়া যায় যা রোগগ্রস্ত ডিম বা মাংস খেলে হয়।

(2) Health Education Council অনুসারে বিষাক্ত আহারে হওয়া 90% মৃত্যুর কারণ হল মাংসাহার।


পশু যখন কসাইখানায় মৃত্যুর সম্মুখীন হয় তখন সে কেঁপে ওঠে। মৃত্যুকে সম্মুখীন দেখে সেই পশু ২।১ দিন আগে থেকেই খাওয়া বন্ধ করে। ভয়ে তার পায়খানার কিছুটা বেরিয়ে যায়। দেহের মল যখন রক্তের সংস্পর্শে আসে তখন তা বিষাক্ত হয়ে ওঠে।


মাংসে রক্ত, বীর্য, মল, মূত্র ইত্যাদি নানা বস্তুর অংশ থাকে ! মৃত্যুর পূর্বে অসহায় পশু আত্মরক্ষার জন্য ছটফট করতে থাকে। এসব অর্থহীন হয়ে গেলে তার ভয় বৃদ্ধি পায়, রাগে চোখ লাল হয়ে যায়, মুখ দিয়ে ফেনা পড়তে থাকে। এই অবস্থায় তার দেহে Adrenalin উৎপন্ন হয়, যাতে তার রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং তার মাংস বিষাক্ত হয়ে ওঠে।

মানুষ সেই মাংস খেলে তার মধ্যে Adrenalin প্রবেশ করে তাকে প্রাণঘাতী রোগের শিকার করে। Adrenalin এর সঙ্গে যখন Chlorinated Hydrocarbon নেওয়া হয়, তখন সেটি সম্ভাব্য প্রাণঘাতী হার্ট এ্যাটাক করে জীবন সংশয়যুক্ত করে।


মাছ, ডিম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য Boric Acid বা বিভিন্ন বোরেট্স ব্যবহৃত হয়। এই কম্পাউণ্ডগুলি Cerebal Tissues তে একত্রিত হয়ে গভীর বিপদ উৎপন্ন করে।


সকলেই জানেন যে রক্তে ব্যাকটিরিয়া শীঘ্র বৃদ্ধি পায়। মাংসে রক্ত মিশ্রিত হওয়ায় তাতে Microorganisms র Infection শীঘ্রই বৃদ্ধি পায়। পশুর মৃত্যু হলেই মাংস পচতে শুরু করে এবং শাকাহার পদার্থের তুলনায় তা অতি শীঘ্র পচতে থাকে। এরূপ মাংস-যা মৃতদেহ খাবারই মতো, তা যখন ভক্ষণকারীর শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেটি এমন অসাধ্য রোগের জন্ম দেয় যা মাংসাহারীকে অন্তিম সময় পর্যন্ত রেহাই দেয় না। আজ যে মাংস ভক্ষণ করে, কিছুদিন পর সেই মাংসই তাকে ভক্ষণ করে।

কসাইখানার মাংস যে কতো ক্ষতিকারক, দূষিত, রোগগ্রস্ত হয় তা অনুমান করা যায় এই থেকে যে ইউরোপের অত্যাধুনিক, নতুন টেকনিক দ্বারা সঞ্চালিত কসাইখানাকেও স্বাস্থ্যের দৃষ্টিতে আদর্শ বলা হয় না, তখন ভারতের কসাইখানার মাংসের আর কথাই কী!

মাংসাহারের সঙ্গে অসাধ্য রোগের যে সম্পর্ক, তার অনুসন্ধানের পরিণাম কিছুটা এইরূপ- (১)জার্মানীর প্রোফেসর এরবর্গের বক্তব্য হল ডিম 51.83% কফ উৎপন্ন করে। এটি শরীরের পোষক তত্ত্বের অনুপাতকে নষ্ট করে।


আমেরিকান ডাঃ ই. বি. এমারী এবং ইংল্যাণ্ডের ডাঃ ইন্হা, তাঁদের বিশ্ববিখ্যাত বই 'পুষ্টির নবীনতম জ্ঞান' এবং 'রোগীদের প্রকৃতি'তে স্পষ্ট বলেছেন যে ডিম মানুষের পক্ষে বিষতুল্য।

ইংল্যাণ্ডের ডাঃ আর. জে. উইলিয়াম বলেছেন যে 'সাধারণতঃ ডিমভক্ষণকারী প্রথমে বেশি শক্তি অনুভব করে, কিন্তু পরে তাদের হৃদ্‌রোগ, এক্‌জিমা, প্যারালিসিস ইত্যাদি ভয়ানক রোগের শিকার হতে হয়। পরীক্ষায় জানা যায় যে ডিম যদি ৮°৫ এর বেশি তাপে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় থাকে, 

মাংসাহারের সঙ্গে অসাধ্য রোগের যে সম্পর্ক, তার অনুসন্ধানের পরিণাম কিছুটা এইরূপ- (১)জার্মানীর প্রোফেসর এরবর্গের বক্তব্য হল ডিম 51.83% কফ উৎপন্ন করে। এটি শরীরের পোষক তত্ত্বের অনুপাতকে নষ্ট করে।


আমেরিকান ডাঃ ই. বি. এমারী এবং ইংল্যাণ্ডের ডাঃ ইন্হা, তাঁদের বিশ্ববিখ্যাত বই 'পুষ্টির নবীনতম জ্ঞান' এবং 'রোগীদের প্রকৃতি'তে স্পষ্ট বলেছেন যে ডিম মানুষের পক্ষে বিষতুল্য।

ইংল্যাণ্ডের ডাঃ আর. জে. উইলিয়াম বলেছেন যে 'সাধারণতঃ ডিমভক্ষণকারী প্রথমে বেশি শক্তি অনুভব করে, কিন্তু পরে তাদের হৃদ্‌রোগ, এক্‌জিমা, প্যারালিসিস ইত্যাদি ভয়ানক রোগের শিকার হতে হয়। পরীক্ষায় জানা যায় যে ডিম যদি ৮°৫ এর বেশি তাপে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় থাকে, তবে তাতে পচনক্রিয়া শুরু হয়।

এই অবস্থায় ভারতের মতো দেশে, যেখানে তাপমাত্রা সর্বদা ৮°৫ এর চাইতে বেশি থাকে এবং পোল্ট্রী ফার্মে ডিম উৎপন্ন হয়ে বিক্রী হওয়া পর্যন্ত সেটি ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় বাইরে থাকে, এর ফলে তাতে পচনক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। কারণ উৎপন্ন হওয়ার পর বিক্রয় পর্যন্ত ডিমকে রেফ্রিজারেটরে রাখা কখনও সম্ভব নয়।


ডিম পচতে থাকলে প্রথংমে তার জলীয় অংশ খোলস থেকে বাষ্প হয়ে উবে যায়, তারপর রোগ সংক্রমণ হতে থাকে এবং হলুদ অংশে গিয়ে পুরো প্রভাব বিস্তার করে। সূক্ষ্মস্তরে পচন ধরায় সেটি ঠিকভাবে বোঝা যায় না এবং উদরস্থ করা হয়। তার ফলে পেটের রোগ, Food contamination ইত্যাদি হয়।


(ইংল্যাণ্ডের শ্রীনীতিন মেহতার বক্তব্য অনুসারে প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষ Salmonella দ্বারা প্রভাবিত হন। N. H. S. অনুসারে মুরগী বা ডিম থেকে হওয়া Food Poisoning প্রভাবগ্রস্থ রোগীদের চিকিৎসায় প্রতি বছর ২০ লাখ ডলার খরচ হয়।


 Salmonella ছাড়া Listeriaও ছড়িয়ে পড়ে, যা ফ্লু উৎপন্ন করে এবং যার থেকে Meningitis (Brian enlarging) বা Food Poisoning বৃদ্ধি পায়। তাতে গর্ভবতী মহিলার গর্ভপাত বা গর্ভস্থ শিশুর রোগগ্রস্ত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। স্বাস্থ্য বিভাগের সূচনা অনুসারে ১২% 'Prepared to eat poultry food'- এর নমুনাতে Listeria পাওয়া গেছে। Creutzfeldt Jacob's illness, Beef থেকে উৎপন্ন হয়, যা হল একটি মানসিক রোগ যা ভেড়ার মধ্যে পাওয়া অসুখ Serapie র মতো। এই অসুখ মাংসাহার দ্বারা পশুর দেহ থেকে মানুষে প্রবেশ করার সম্পর্ক জানা গেছে।

Australia, যেখানে সর্বাধিক মাংসাহার করা হয় এবং যেখানে গড়ে প্রতি ব্যক্তি প্রতি বছর 130K.G. Hamburger ভক্ষণ করে, সেখানে Bowel Cancer সর্বাধিক। Dr. Andrew Gold তাঁর পুস্তক Diabetes: Its Causes and Treatment এ শাকাহার ভোজনেরই পরামর্শ দিয়েছেন।





No comments

Theme images by sndrk. Powered by Blogger.