Header Ads

আওয়ামীলীগ যুবলীগ এখন চাঁদা বাজি ছিনতাই করছে হিন্দুদের উপর,

আওয়ামীলীগ যুবলীগ এখন চাঁদা বাজি ছিনতাই করছে হিন্দুদের উপর!!



কোটালীপাড়া ওয়াবদারহাট হিন্দুদের মোবাইল, মোটরসাইকেল, ত্রিশ হাজার টাকা ছিনতাই এর পরে ব্ল্যাক স্টাম্পের স্বাক্ষর রেখে দেয় ছিনতাইকারী আওয়ামীলীগ নেতা। এ বিষয়ে কোর্টে মামলার পরে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় যুবলীগ সন্ত্রাসীরা। তথ্য সরবরাহে যখন সাংবাদিক কামরুল হোসেন যায় তারপরও হামলা এবং চরাউ হর সন্ত্রাসীরা বিষয়ে সাংবাদিক কামরুল হোসেন একটি মামলা করেছেন কোটালীপাড়া থানায়। পোস্টটি দ্রুত শেয়ার করেন যাতে প্রশাসনের নজরে দ্রুত আসে।

   ।। পত্রিকা থেকে বিস্তারিত।।

কামরুল হাসান, কোটালীপাড়া : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ছিনতাই মামলা তুলে নিতে বাড়িতে গিয়ে সংখ্যালঘু বাদীর পরিবারকে হুমকি প্রদর্শন করেছে আসামী এবং আসামীর ভাই ।


ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৩ জুলাই)সন্ধ্যায় উপজেলার আমত



লী ইউনিয়নের গচাপাড়া গ্রামে।


এঘটনায় সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারটির মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।ছিনতাই মামলার বাদীর মা প্রমিলা চৌধুরী বলেন, কিছুদিন আগে আমার ছেলে অশোক চৌধুরী ওয়াবদারহাট বাজার থেকে বাড়ি আসার সময় চিত্রাপাড়া গ্রামের পারভেজ ফকির,সাইদুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামীরা মিলে আমার ছেলেকে আটক করে তাকে মারপিট করে তার সাথে থাকা একটা মোটরসাইকেল দুইটা মোবাইল ফোন নগদ ৩০ হাজার  টাকা ও তিনটা সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেয়।এরপর আমার ছেলে গোপালগঞ্জ কোর্টে একটি মামলা করেন।এমামলার করার কারণে আসামীরা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় আসামী পারভেজ ফকিরের ভাই মাহাবুল ফকির ও সাইদুল ইসলাম আমাদের বাড়িতে এসে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে চাপ দেন এবং অকথ্য ভাষায় আমাদের গালিগালাজ করে আমাকে বস্তায় ভরে পারাবেন এবং আমার ছেলেদেরকে ওয়াবদারহাট বাজারে গেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।


প্রমিলা চৌধুরী বলেন, বাবা আমরা এখন কি করবো আমরা হিন্দু মানুষ সংখ্যায় কম ছেলে মেয়ে নিয়ে ভয়ে আছি।তার বৌদি অনিতা চৌধুরী বলেন কিছুদিন আগে আমার দেবর অশোককে কিছুলোক ওয়াবদারহাট বাজার থেকে আসার পথে আটকে রেখে তাকে মারপিট করে তার কাছ থেকে একটা মোটরসাইকেল,দুইটা মোবাইল ফোন,৩০ হাজার টাকা ও তিনটি সাদা স্টাম্পে জোর করে স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেয়।এঘটনার জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় চিত্রাপাড়া গ্রামের মাহাবুল ফকির ও সাইদুল ইসলাম আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে এবং আমার শাশুড়ীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এসময় আমরা প্রতিবাদ করলে তারা আমাদেরকে চেয়ার দিয়ে বাড়ি মারার চেষ্টা করেন এবং আমার স্বামী ও দেবর ওয়াবদারহাট বাজারে গেলে তাদেরকে কেটে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়।আমরা হিন্দু মানুষ খুব ভয়ে আছি।এবিষয়ে হুমকিদাতা মাহাবুল ফকিরের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।এবং শুক্রবার রাতে ওয়াবদারহাট বাজার মসজিদ থেকে এশার নামাজ পরে বাড়ি ফেরার সময় অজয় ভক্তের চায়ের দোকানে আক্রমণ করে খুন জখমের হুমকি দেন।মামলার বাদী অশোক চৌধুরী বলেন আমি গত ৩ জুলাই ওয়াবদারহাট বাজার থেকে কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার পথে ৬ জন লোক আমার গতিরোধ করে আমাকে মাহিয়া ফিলিং স্টেশন নিয়ে আটক করে মারপিট করে আমার কাছ থেকে আমার একটি মোটরসাইকেল দুইটি মোবাইল ফোন নগদ ৩০ হাজার টাকা ও তিনটি নন-জুডিশিয়াল সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেয়।এঘটনায় আমি বাদী হয়ে কে এম হুমায়ুন রশিদ হিমু,নুর ইসলাম ফকির,পারভেজ ফকির,পিয়াস খান ও সাইদুল ইসলামকে আসামী করে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোটালীপাড়া গোপালগঞ্জ একটি ছিনতাই মামলা করেছি।তিনি বলেন এমামলা করার কারণে গত বুধবার সন্ধ্যায় আসামী সাইদুল ইসলাম এবং আসামী পারভেজ ফকিরের ভাই মাহাবুল ফকির আমাদের বাড়িতে এসে আমার মা বাবাকে এবং আমার অন্যান্য পরিবারের সদস্যদেরকে হুমকি দেয়।


কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে,,


No comments

Theme images by sndrk. Powered by Blogger.