গীতা পড়লে ৫টি জিনিস সর্ম্পকে জানা যায়
গীতার কিছু অজানা কথা,,,,
,
গীতা পড়লে ৫টি জিনিস সর্ম্পকে জানা যায় ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল
ও কর্ম ।
গীতাতে অর্জুনের ২০টি নাম আর
কৃষ্ণের ৩৩টি নামের উল্লেখ করা
হয়েছে ।
গীতা হচ্ছে সমস্ত শাস্ত্রের
সারতিসার এমনকি গীতায় এমন কিছু
আছে যা অন্যান্য কোন শাস্ত্রে
পাওয়া যায় না । যেমন – ৫ম পুরুষার্থ
মহাভারতের ভীষ্মপর্বের ২৫ থেকে ৪২
নং অধ্যায়ের এই ১৮ টি অধ্যায় হল
ভগবদগীতা বা গীতোপনিষদ ।
গীতায় আছে ৭০০ শ্লোকের মধ্যে
ধৃতরাষ্ট্র বলেন ১টি শ্লোক, সঞ্জয়
বলেন ৪০টি শ্লোক, অর্জুন বলেন ৮৫টি
শ্লোক, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন ৫৭৪টি
শ্লোক ।
গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম
৬টি অধ্যায়কে বলে কর্ম ষটক,
মাঝখানের ৬টি অধ্যায়কে বলে ভক্তি
ষটক, আর বাকি ৬টি অধ্যায়কে বলে
জ্ঞান ষটক ।
,
যদিও গীতার জ্ঞান ৫০০০ বছরেরও আগে
বলেছিল কিন্তু ভগবান চতুর্থ অধ্যায়
বলেছেন এই জ্ঞান তিনি এর আগেও
বলেছেন, মহাভারতের শান্তিপর্বে
(৩৪৮/৫২-৫২) গীতার ইতিহাস উল্লেখ
আছে । তার মানে গীতা প্রথমে বলা
হয় ১২,০৪,০০,০০০ বছর আগে, মানব
সমাজে এই জ্ঞান প্রায় ২০,০০,০০০ বছর
ধরে বর্তমান, কিন্তু কালের বিবর্তনে
তা হারিয়ে গেলে পুনরায় আবার তা
অর্জুনকে দেন ।
গীতার মাহাত্ম্য অনেকে করে গেছেন
তার মধ্যে শ্রীশঙ্করাচার্য,
স্কন্দপুরাণ থেকে শ্রীল ব্যাসদেব,
শ্রীবৈষ্ণবীয় তন্ত্রসারে গীতা
মাহাত্ম্য আর আছে পদ্মপুরাণে
দেবাদিদেব শিব কর্তৃক ১৮টি
অধ্যায়ের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছেন ।
গীতাতে মাং এবং মামেব কথাটি
বেশি আছে, যোগ শব্দটি আছে ৭৮ বার,
যোগী আছে ২৮ বার আর যুক্ত আছে ৪৯
বার ।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এই গীতার জ্ঞান দেন ।
গীতার ২য় অধ্যায়কে বলা হয় গীতার
সারাংশ ।
ভগবান যখন বিশ্বরূপ দেখান তখন কাল
থেমে যায় ।
ভগবান শুধু যুদ্ধের আগেই গীতা বলেনি
১৮ দিন যুদ্ধের মাঝখানেও গীতা
বলেছে ।
জয় গীতা জয় গীতা,,,,, সদা কৃষ্ণ নাম জপ করুন, প্রতিদিন গীতা পাঠ করুন,গীতার আলোকে আপনার জীবন গড়ে তুলুন,আপনার সন্তানদের গীতার জ্ঞানে বড় করে তুলুন,,,,, গীতা ভগবানের মুখ নিসৃতঃ বানী। গীতাতে আর ভগবানে আমি পার্থক্য দেখি না,,,, হরে কৃষ্ণ। জয়রাধে,,,


No comments