Header Ads

গীতা-মাহাত্ম্য-গীতা-মহাত্তো-বাংলা জানতে হলে পড়ুন

গীতা-মাহাত্ম্য-গীতা-মহাত্তো-বাংলা




গীতাশাস্ত্রমিদং পুণ্যং যঃ পঠেৎ প্রযতঃ পুমান।


ভগবদতার নির্দেশক নির্দেশক নীতি অনুসরণ করতে, পরবর্তীতে সমস্ত ভয় ও উদ্দেশ থেকে মুক্তি যায়। এই প্রেম ভয় ও শোকাদি বর্জিত হতে পরবর্তী প্রজন্মকে চিন্ময় করতে অর্জন করা যায়।


গীতাধ্যয়নশীলস্য প্রাণায়মপরস্য চ।

নৈব সন্তি হি পাপানি পূব্রজন্মকৃতানি চ।২।


“কেউ যদি আন্তরিকভাবে এবং অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে ভগবগীতা পাঠ করে, তা হলে ভগবানের করুণায় তার তীতে সমস্ত পাপকর্মের ফল তাকে গ্রহণ না করে৷


মলি মোচনং পুংসাং জলস্নানং মেঘের জন্ম।


সকৃদ্ গীতি তামৃতস্নানং স্থানীয় মলনাশনম।


“প্রতিদিন জলে স্নান করে মানুষ নিজেকে পরিচ্ছন্ন করতে পারে, কিন্তু কেউ যদি ভগবদিতা গাঙ্গাজলে একটি বারও স্নান করে, তা হলে জড় জীবন মলিনতা তা বিষ্ট না হয়৷

গীতা সুগীতা ধর্মা কিমন্যঃ শাস্ত্রবিস্তরৈঃ।


যা স্বয়ং পদ্মনাভস্য মুখপদ্ম বিনিঃসৃতা।


যাতে ভগবদগীতার বাণী পরম পুরুষোত্তম ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী, তাই এই গ্রন্থ পাঠে আর স্বকীয় বৈদিক সাহিত্য পড়বার প্রয়োজন হয় না। গভীর নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে অংশগ্রহণ করে ভগবদগীতা শ্রবণ ও কীর্তন আমাদের অন্তর্নিহিত ভগবদ্ভক্তির ছাত্র ছাত্রীদের হয়। বর্তমান সাধারণ মানুষেরা একইভাবে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে, তাদের ব্যবহার সমস্ত বৈদিক সাহিত্য পাঠ করা সম্ভব নয়। সমস্ত বৈদিক সাহিত্য পড়বার প্রয়োজন নেই। এই একটি গ্রন্থ ভগবদগীতা পাঠদানই মানুষ সমস্ত বৈদিক জ্ঞানের সারমর্ম উপলব্ধি করতে, কারণ ভগবদগীতা হচ্ছে বেদের এবং এই গীতা স্বয়ং ভগবানের মুখনিঃসৃত উপদেশ বাণী।


ভারতামৃতসর্বস্বং বিষ্ণুব্রক্ত বিনিঃসৃতম্।


গীতাগঙ্গোদকং পিত্বা পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে।৪।

"গঙ্গাজল পান করার জন্য অবধারিতভাবে মুক্তি পাওয়া যায়, আর দেখা যায় ভগগীতার পুণ্য পীযুষ পান, তাঁর কথা আর কি বলবার আছে? ভগবদগীতা হচ্ছে মহাভারতের অকৃত্রিম, যা আদি বিষ্ণু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শক্তিমত্তা। (গীতা- ভগবানের চরণপদ্ম থেকে ভুত বলে উল্লেখ করা হয়েছেভগবানের মুখ ও পায়ের মধ্যে অবশ্য কোন পার্থক্য নেই। তবে আমাদের এটা নিয়ে সমস্যা হয় না, ভগবদগীতার গুরুত্ব গঙ্গার চেয়েও বেশি।


সর্বোপনিষদো গাবো দোগ্ধা গোপালনন্দনঃ।


পার্থো বৎসঃ সুধীর্ভোক্ত দুগ্ধং গীতামৃতং মহৎ।৫।


“এই গীতোপনিষদ্ ভগবদগীতা সমস্ত নিদের্শক সারতি তা ঠিক একটি গাভী এবং রাখাল বালক এবং প্রসিদ্ধ ভবান শ্রীকৃষ্ণই এই গাকে দোহন করেছেন। অর্জুন ব্যাখ্যা গোবৎসের মতো এবং জ্ঞানীগুণী ও শুদ্ধ ভক্তেরাই ভগবদগীতার সেই অমৃতময় দুগ্ধ পান করে থাকেন৷

একং শাস্ত্রং দেবকীপুত্রগীতম্।


একো দেবোকীপুত্র এব।


একো মন্ত্রস্য নামানি যানি


কর্মাপ্যেকং তস্য দেব সেবা।।৭।


বর্তমান মানুষ আকুলভাবে আকাঙ্ক্ষা করছে একটি শাস্ত্রের, এক ভগবানের, একটি ধর্মের এবং একটি শিক্ষার। তাই, একং শাস্ত্রং দেবকীপুত্রগীতম্-র পৃথীবীর মানুষের জন্য সেই এক শাস্ত্রং ভগবদগীতা। একো   মন্ত্রস্তস্য নামানি- এক মন্ত্র, একক প্রার্থনা, একক স্তোত্র তাঁর নাম কীর্তন-


শৌনক বলিলেন হে, ব্যাসদেব যেভাবে গিত্তম্য বর্ণনা করছিলেন মাহাত সেভাবে বর্ণনা কর। ।।।।।

সূত বলিলেন- মহাশয়, গীতি মহাত্ম্য পরবর্তী গোপনতারীয়। ঠিকভাবে বলিবার শক্তি তো কাহারও নাই।


শ্রীকৃষ্ণ ইহা সবচেয়ে ভাল জানেন, তবে জর্জুন, ব্যাসদেব, শুকদেব, যাজ্ঞবল্ক্য ও বোধক রাজা ইহার ব্যাখ্যা।


ব্যাসদেবের আমি যাহা শুনিয়াছি আপনার কথা বলিতেছি শুনছি।৪।


উপনিষদগুলি গাভীর জন্য, শ্রীকৃষ্ণ হলেন সেই সব গাভীর দোহনকারী৷ অর্জুন সেই গাভীর বাছুর (বৎস) আর গীতার উপদেশ রূপ অমৃত করেল সেই গাভীর দুধ। ৫।


শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের সারথি ধর্ম গীতামৃতিদান করেছিলেন। আমি সেই শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম করি। ৬।


যে ব্যাক্তি ঘোর রূপ-সমুদ্র পার হতে পারেন তিনি গীতারূপ-ণীর সাহায্যে সুখে পারাপার হতে পারেন।


গীতাগ্রন্থ পাঠন না যে ব্যক্তি মুক্তি লাভ করতে চায়, সেই ব্যক্তি অজ্ঞান। বালকওকে উপহাস করে।


অনেক রাত্রিদিন গীতা পাঠ করেন বা শ্রবণ করেন তিনি মানুষ নন দেবতুল্য।


গীতাজ্ঞান করলে ব্রহ্মতত্ত্ব জানা যায়। ব্রহ্মতত্ত্ব জানিলে স্বভাবই ভক্তির উদয় হয়।১০।


গীতার আঠারটি অধ্যায়। ভক্তিতে ভক্তি-মুক্তির কথা আছে। জানিতে পারিলে তাই চিত্তশুদ্ধি হয়।১১।


গীতাশাস্ত্র-জলে শ্রদ্ধার সহিত স্নান করি পাপ নষ্ট হয়, কিন্তু শ্রদ্ধার সব কিছু নষ্ট হয়।১২।


যে ব্যক্তি গীতার পঠন-পাঠন করে না, তার সমস্তই বিফল হয়।


যে ব্যক্তি গীতার মাহাত্ম্য জানা না, সে অজ্ঞান। জীবন মূল্য বিফল।


যে গীতার অর্থ না, সে অধম। শারীরিক আচরণ আচরণ, বিত্তসম্পাদিত ধিক।

যে গীতা মাতা না, সে সকলের অধম। প্রার উলার্বধ, পূজা, হিন্দু, দান- সমস্তই বিফল।১৬।

গীতাশাস্ত্র যাহার মন নাই, জ্ঞানে জ্ঞানদাতা, ব্রত, নিষ্ঠা সব বৃথা।১৭।


যে অর্থ উদ্ধারয়াতা পাঠ করে না, জ্ঞানের জ্ঞান আসুর। নিষ্ফল পাওয়া যায়।।


গীতা গ্রন্থ ধর্মময়। ইহা সমস্ত জ্ঞানদান করে। ইহার মান আর কিছু নাই।১৯।


বিষ্ণুর পর্বদিনে যুদ্ধদিনে গীতা পাঠ করেন, কখনও কখনও কোন অনিষ্ট করতে পারেন। ২০।


শালগ্রামের কাছাকাছি, দেবালয়ে, তীর্থস্নানে, নদীতীরে গীতাশাস্ত্র পাঠ করি অপার সৌভাগ্য লাভ হয়।।২১।


দেবকীনন্দন শ্রীকৃষ্ণ গীতাপাঠে যত তুষ্ট হন, যজ্ঞ ব্রতাদিতেও তুষ্ট হন না।


যে ভক্তিরিত গীতি পাঠের সহিত উচ্ছর অন্তরে গভীরতা সমস্ত শাস্ত্রের জ্ঞানের ফুটিয়া বোস। ২৩।


যোগস্থানে, সিপীঠে, শিলাগ্রে, সজ্জন পরীক্ষা, যজ্ঞে বা বিহু ভক্তের সামনে গীতা পাঠ করি সিদ্ধিলাভ।২৪।


প্রতিদিন গীতা পড়লে বা শুনিলে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।২৫।


ভালো গানের অর্থ শোনেন, অন্যকে প্রচার করেন অথবা কীর্তন করেন, তিনি মুক্তি লাভ করেন।২৬।


যে ভক্তির গীতা দান করে সহভার্যা প্রিয় ও গ্রহলক্ষী হয়। ২৭।


সেই ব্যক্তি সৌভাগ্য আরোগ্য যশঃ ও সুখ লাভ করে। কোন দুঃখ হয় না।।২৮।


যে বাড়িতে প্রতিদিন গীতার অর্চনা হয়। সে বাড়িতে কোন রূপ দুঃখ বা অশুভ ঘৃণা হতে পারে না।২৯।


সেই বাড়িতে অধ্যাত্মিক, আদিভৈতিক ও আদি দৈবিক- তিনি এই ধরনের দুঃখ আসিতে না পারেন।৩০।


প্রতিদিন গীতা পাঠ করি বিস্ফোটকাদি জন্মে না কৃষ্ণের প্রতি একনিষ্ঠ ভক্তি লাভ হয়।

সর্বদা গীতা পাঠ করি সকলের সাথে বন্ধু জন্মে।৩২।


গীতাপাঠী মহাপাপ এবং পরে পাপাও পাপমুক্ত থাকে।


গীতাপাঠী অনাচার ও অভক্ষ্য ভোজন করি পাপ তাকে স্পর্শ করেন না।৩৪।


গীতাপাঠী জানি বা না জানি যত পাপ করে গীতাপাঠের ফলে সমস্ত নষ্ট হয়।৩৫।


গীতাপাঠী যদি সেখানে খায় বা যেখান হতে সেখানে দান গ্রহণ করে জানাপি সে পাপে লিপ্ত না হয়।


গীতাপাঠী যদি ভাবে এই পৃথিবীও হরণপা অন্য লয়, গীঠের ফলে ক্ষতি হয়।


যাহার মনপ্রাণ সর্বদা গীর্তানিবিষ্ট থাকে সেই ব্যক্তি পন্ডিত ও ক্রিয়াবান।৩৮।


দর্শনীয় দর্শনীয়, ধবান যোগী ও জ্ঞানী, তিনিই বেদার্থ দর্শক ও যা জ্ঞানী।


যে গৃহে গীতাগ্রীতে থাকে সেই গৃহ সর্বতীর্থের সার।


যে দিনটি পাঠ করে উল্টো জীব উদ্দশায় এবং পরবর্তীতে দেব গণকে বিবেচনা করেন।৪১।


যেখানে গীতা পাঠ করা হয় সেখানে নারদাদি ভক্তগণ সহ শ্রীকৃষ্ণ বিরাজ করেন।।৪২।


যেখানে সেখানে শ্রীকৃষ্ণ রাধার সহিত বিরাজ করেন।৪৩।


শ্রীকৃষ্ণ বলিলেন- হে অর্জুন, গীতা আমার হৃদয়, গীতা আমার জ্ঞান, গীতাই আমার শ্রেষ্ঠ বল। ৪৪।


গীতা আমার উত্তম স্থান। গীতা আমার পরমপদ, গীতা পরে গুহ্য কবে, গীতাই আমার গুরু।৪৫।


আমি গীতা আশ্রয়স্থল। গীতাই আমার জীবন। গীতাকে আশ্রয় আমি ত্রি পালন করি।।৪৬।


গীতা আমার ব্রহ্মবিদ্যা। গীতা কথাতীতা, সনাতনী ও মাত্রীরূপা।


হে অর্জুন গীতার অনেক নাম। বলিতেছি শোন।।৪৮।


গীতার নামসমূহ


গীতা, গঙ্গা, সাবিত্রী, সীতা, সত্যা, পতিব্রতা, ব্রহ্মাবলি, ব্রহ্মবিদ্যা, ত্রিন্ধ্যা, মুক্তি-গেহিনী, অর্ধেলা, তিতান্দা, ভভঘ্নী, ভ্রানি-নাশিনী, বেদত্রী, পরনন্দা, তত্ত্বজ্ঞানমঞ্জরী।


যে ব্যক্তি স্থিত চিত্তে গীতা পাঠ করে উকির সিদ্ধি লাভ করে এবং তিনি পরম পদ লাভ করেন। ৫১।


সম্পূর্ণ গীতা পাঠে অসমর্থে অর্ধেক পাঠ করি গো-দানের ফল লাভ হয়।৫২।


এক-তৃতীয় অংশ পাঠ করিলে সোমযোগের ফল লাভ হয়। আর ব্যবসার এক ভাগ পড়লে গাঙ্গাস্নানের ফল পাওয়া যায়।৫৩।


প্রতিদিন গীতার দুইটি অধ্যায় পাঠ করি এককল্পকাল ইন্দ্রলোকে বাস। ৫৪।


প্রতিদিন গীতার এক অধ্যায় পাঠ করি রুদ্রলোক প্রাপ্তি।৫৫।


গীতার অর্কে অধ্যায় বা এক-একাংশ প্রতিদিন পাঠে করি শত বৎসর রবিলোকে বাস হয়।৫৬।


প্রতিদিন জিতার একটি শ্লোক পাঠ করি অযুত বৎসরকাল চন্দ্রলোকে বাস হয়।৫৭।


গীতি দুই দুই একটি শ্লোক পড়িয়া যে মারা যায়, সেই ব্যক্তি পরম পদ লাভ করে।


মহাপাপী যদি গীতা শ্রবন করে তবে দামি মহাপাপ নষ্ট হয়, সেভাগী হয়।৫৯।


গীতা পুস্তক বুকে লইয়া যে শক্তি বিসর্জন করে সে বিষ্ণুর সহিত বৈকুণ্ঠে বাস করে।৬০।


যে ব্যক্তি গীতার অধ্যায় এর সাথে লইয়া ব্যবহার করে সে পরজনে মানুষ জন্ম গ্রহণ করে।৬১।


যে ব্যক্তি “গীতি” বলিতে বলিতে মারা যায়, ভালর শুভ গতি হয়।৬২।


গীতা পাঠ সেই কাজ আরম্ভ করা যায় নির্দোষভাবে সুসম্পন্ন। ৬৩।


পিতৃশ্রাদ্ধে গীতা পাঠ করিলে সন্তুষ্ট হইয়া স্বর্গে গমন করেন। ৬৪।


পিতৃ গণ গীতাঠে সন্তুষ্ট পুত্রকে আশীবাদ করি পিতৃলোকে চলিয়া যান।৬৫।


ধেনু পুচ্ছের সহিত গীতা দানে করি তৎক্ষণাৎ দাতার বাসনা পূর্ণ হয়।৬৬।


ব্রাহ্মকে স্বর্ণ সহিত গীতা দানে করি দাতার পুনর্জন্ম হয় না। ৬৭।


একশত গীতা দানে ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হয়।৬৮।


গীতা গ্রন্থ দানে করি সপ্তকল্পকাল বিষ্ণুরিত বাস।৬৯।

গীতার ব্যাখ্যায় যে গীতা দানের কথা শুনে মনে বাসনা পূর্ণ হয়।


চারি বর্ণের মধ্যে দেহ ধারণ করা ব্যক্তি মন অমৃতময়ী গীতা পড়ে না বা শ্রবণ না করে, তিনি হেরমৃত অভস্ত বিষভক্ষণ করেন।


দুঃখার্থ সুখ যদি গীতাশাস্ত্রে জ্ঞানে জন্মে তবে ভক্তি লাভ হয় এবং হয়। ৭২।


জনকাদি রাজ গণ গীতা পাঠ মুক্তি মুক্তি লাভ করেন। ৭৩।


গীতা সম্পর্কে উচ্চমাত্রায় কলি ও প্রভেদ না ইহা সমগ্র জ্ঞানের ব্যাখ্যা ধারণা ব্রহ্ম জ্ঞানের ধারণা।


যে ব্যক্তি গীতার নিন্দা করে সে প্রলয় কাল পর্যন্ত নরকে বাস করে।৭৫।


যে অজ্ঞান ব্যক্তি অহঙ্কার বশে গানের অর্থ না, সে কুন্তিপাক নরকে বাস করে।৭৬।


যে নিকটে থাকিয়া গীতার অর্থ শ্রবণ করে না সে বার শূকর হতে জন্ম গ্রহণ করে। ৭৭।


যে গিতা চুরি পণ্য আনে গিটার পাঠ বিফল হয়।


যে জন গ শুনিয়া আনন্দ পায় না পাগলের শ্রমার্থের মত, গীতপাঠ বড়থা হয়।৭৯।


গীতা পাঠিয়া যে যাহা দান করে, ভগবান শ্রীহরি শুনি সাদরে গ্রহণ করেন। ৮০।


বস্ত্রদ্রব্যাদি দিয়া গীতাপাককে তুষ্ট করি ভগবান শ্রীহরিঠে সন্তুষ্ট হন। ৮১।


সুথ বলিলেন- শ্রী কৃষ্ণ এই গীতামাহত্ম্য অতি পুরাতন। গীতাপাঠের পর মাহাত্ম্য পাঠ করিলে অর্থ ফল লাভ হয়। ৮২।


গীতা পাঠ গান গানের গানের মহাত্ম পাঠ করেন বা শ্রদ্ধার সহিত গীতা শোনেন, গল পরম ৮৩।

খুব গীতার ব্যাখ্যা সহিত গীতার মহাত্ম্য শোনেন, ভাল পুণ্য ফল ত্রিকে সর্বোত্তম সুখের কারণ হয়।।৮৫।


--ইতি গীতা-মাহাত্ম্য সমাপ্ত।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে

হরে রাম হরে রাম রাম হরে হরে

No comments

Theme images by sndrk. Powered by Blogger.